
**বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতিগত অবস্থান অনুযায়ী,** জাতীয় সংসদে এক পরিবারের দুই সদস্যের প্রতিনিধিত্ব করা হবে না, এমনটি জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন।
**নীতিগত অবস্থানে অটল জামায়াত,** জামায়াতের আমীরের স্ত্রীর সংসদ সদস্য হওয়ার অতীতের নজির থাকলেও, এবার কেন তা করা হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "আমাদের নীতিগত অবস্থান হলো—এক পরিবারের দুইজন সংসদ সদস্য হবে না। অতীতেও আমরা এটা অনুমোদন করিনি, এবারও করিনি। দলে যোগ্য নারী নেতৃত্বের অভাব নেই। আমীরের স্ত্রীর চেয়ে আমাদের নারী শাখায় অনেক হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছে।"
**১১-দলীয় জোটের মনোনয়ন ও শহীদ পরিবার প্রতিনিধিত্ব,** ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিরোধী ১১-দলীয় ঐক্য মোট ১৩টি আসন পাচ্ছে। জোটের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়:
শহীদ পরিবারের সদস্য: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।
বিএনপিকে বার্তা: মনোনয়ন জমা দিয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, "জুলাই বিপ্লবকে সম্মান জানালে বিএনপিও শহীদ বা আহত পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দিত। আমি সংসদে গিয়ে ১ হাজার ৪০০ শহীদ পরিবার এবং ২০ হাজার আহত যোদ্ধাদের পক্ষে কথা বলব।"
ঐক্যের বার্তা: জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি তাসমিয়া প্রধান জানান, বিভিন্ন দলের পাশাপাশি শহীদের মাকে মনোনয়ন দেওয়া দেশ গঠনে ঐক্যের বার্তা বহন করে।
**সংসদ ও রাজপথে ভূমিকা,** জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, নারীদের দায়িত্ব এখন থেকে ঘর, সংসদ ও রাজপথ—এই তিন জায়গায় থাকবে। নারীদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা না হলে, তারা রাজপথে নামতে দ্বিধা করবেন না।
**অন্যদিকে,** ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীরা জানান, সংসদে ন্যায়সম্মত ও জনকল্যাণকর কাজের জন্য তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন। তবে যদি সরকার জনবিরোধী কোন সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ৯০ জন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য একযোগে প্রতিবাদ জানাবেন।
আরও পড়ুন: [মানুষের রেকর্ড ভেঙে বেইজিং ম্যারাথনে এগিয়ে গেল রোবট]
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।